শিক্ষিকার বিরুদ্ধে সুইসাইড নোট লিখে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রের আত্মহত্যা - Online Earning

Post Top Ad

Responsive Ads Here
Latest News

শুক্রবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

শিক্ষিকার বিরুদ্ধে সুইসাইড নোট লিখে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রের আত্মহত্যা

পরীক্ষায় বসতে দেয়নি শিক্ষিকা। বিনা কারণে টানা তিনটে পিরিয়ড ক্লাসের বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখেছিল। চোখের জলেও মন গলেনি তার। সুইসাইড নোটে এমন অভিযোগ জানিয়ে আত্মহত্যা করেছে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্র। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরে।



গোরখপুরের সেন্ট অ্যান্টনি’স কনভেন্ট স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ত নভনীত প্রকাশ নামে ওই ছাত্র। অভিযোগ, গত ১৫ সেপ্টেম্বর স্কুলে পরীক্ষা ছিল ওই ছাত্রের। কিন্তু পরীক্ষা দেওয়ার বদলে তাকে বিনা কারণে ক্লাসের বাইরে দীর্ঘক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখেন স্কুলের শিক্ষিকা ভাবনা।
১২ বছরের ছাত্রের কোনও কথাতেই কান দেয়নি সে। ভাল ছাত্র হিসেবে পরিচিত নভনীত এই শাস্তি মেনে নিতে পারেনি। বাড়ি আসার পর থেকেই ছেলে চুপচাপ ছিল বলে জানান নভনীতের বাবা রবি প্রকাশ। মায়ের কাছে খেতে চায় সে। খাওয়া শেষে এক গ্লাস জল নিয়ে উপরে নিজের ঘরে চলে যায়। দীর্ঘক্ষণ ছেলে নিচে আসছে না দেখে খোঁজ নিতে যান নভনীতের মা সুনীতা দেবী। দেখেন ছেলের মুখ থেকে ফেনা বের হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় নভনীতকে। সেখানেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
এর কিছুদিন পরই ছেলের স্কুলব্যাগ থেকে একটি চিঠি পান রবি প্রকাশ। যাতে নভনীত লিখে গিয়েছে, ‘পাপা, আজ আমার প্রথম পরীক্ষা ছিল। আর আমার ক্লাস টিচার সকাল ৯.১৫ পর্যন্ত আমায় কাঁদিয়ে গেল…আমাকে তিনটে পিরিয়ড ধরে বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখা হল।
উনি কেবল নিজের তোষামোদকারীদের কথাই শোনেন… আজ আমি নিজের জীবন শেষ করে দেব… দয়া করে ম্যাডামকে বলবে আর কাউকে যেন এতটা কঠিন শাস্তি না দেন। গুডবাই, মাম্মি, পাপা আর দিদি।’
এই চিঠি পাওয়ার পরপরই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন রবি প্রকাশ। তার অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। স্কুলের বাইরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কী ধরনের বিষ খেয়ে নভনীত আত্মহত্যা করেছে তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে তার লাশ।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here